সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চান্দিনায় মানবিক উদ্যোগের দৃষ্টান্ত: অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালো যুব কমিউনিটি  “পরকীয়া প্রেমে বড় হাফসা’র সহযোগিতায় পবিত্র ঈদের দিন সকালে স্বামীর ঘর থেকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছে নরসিংদীর মেয়ে খাদিজা” ঈদ মোবারক,, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের জানাচ্ছি,পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, ঈদ মোবারক !! ফরিদপুর শ্রমিক দলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। চাটখিলে কিশোর অটোচালক হত্যা: র‍্যাবের জালে ৩ ঘাতক ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক মিলনায়তন ও প্রধান শিক্ষকের কক্ষ উদ্বোধন কারাগার” আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নারী কর্মীদের জন্য যেন মরণ ফাঁদ। শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে কালিয়ায় বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রিকশাচালক বাবার দুই ‘রাজকন্যা’র স্বপ্নপূরণ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বুশরা ও তৃষা ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে জমি নিয়ে প্রতারণা ভাগ্নের সাথে মামার।

বাতিল হোক শান্তি চুক্তি

বাতিল হোক শান্তি চুক্তি

মোহাম্মদ রুস্তম আলী কিশোরগঞ্জ

নির্দিষ্ট ভূমি সীমা ও জনগণ নিয়ে গঠিত হয় রাষ্ট্র। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এবং জনগণের নিরাপত্তার জন্য তৈরি করা আইন যাকে একত্রে সংবিধান বলে।

১৯৪৭ সালে ভারত ভাগে সৃষ্টি হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র। পাকিস্তান রাষ্ট্রের দুটি অংশ একটি পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান।দুই প্রদেশের মধ্যে দুরত্ব ১৪’শ মাইল প্রায়।পৃথিবীতে এমন ইতিহাস দ্বিতীয় কোথাও নেই। পশ্চিম পাকিস্তানে সকল কর্তৃত্ব পরিচালনা করেন।যেখানে বৈষম্য লুটের চিত্র ফুটে ওঠে। 

২৪ বছর লুট নির্যাতনের প্রতিবাদে নতুন রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজন হয়ে ওঠে।পাকিস্তান ভেঙে সৃষ্টি হয় নতুন রাষ্ট্রের, লাখো শহীদ ও নারীর সম্ভমের বিনিময়ে সৃষ্টি হয় বাংলাদেশ। 

একটি রাষ্ট্রে বিভিন্ন মতের, নানা ধাচের, ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের ও নীতির মানুষ বাস করেন।কারো পরিচয় তার ধর্মে বা নীতির নয়।একজন মানুষের প্রথম পরিচয়,  সে এই দেশের নাগরিক। 

সে কোন গোষ্ঠীর বা জাতির সেই অনুযায়ী কোনো অধিকার পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।দেশের আইন অনুযায়ী সকল নাগরিকের অধিকার পাবেন।একজন মানুষের পরিচয় সে দেশের নাগরিক। প্রত্যেকেই নাগরিক অধিকার পাবেন।

কারো ধর্ম বা গোষ্ঠী বিবেচনা করে পৃথক কোনো শান্তি চুক্তি করা এটা দেশের মধ্যে শত্রু পুষে রাখা বা সন্ত্রাসী সংগঠন  তৈরি করা বলে মনে করি।

পাহাড়ি অঞ্চলে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠন দেখা যায় মাঝে মধ্যেই। তাদের দমন করতে গেলেই আদিবাসী বা উপজাতিরা স্লোগান উঠান,  সেনাবাহিনী হোটাও,,আদিবাসী বাঁচাও।বাঙালি সরাও, পাহাড় বাঁচাও!

রাষ্ট্রের সীমানায় যেকোনো জায়গায় সেনাবাহিনী থাকবে।নাগরিক হিসেবে যে কেউ দেশের যে কোনো জায়গায় যাবে এটাই স্বাভাবিক। 

কিন্তু পাহাড়ি অঞ্চলে বাহিরের কেউ গেলেই তাকে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরতে হবে কেন?এই বিষয়ে উপজাতিরা নিশ্চুপ থাকেন!দেশে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী থাকা অবস্থায় কেন তাদের আলাদা সশস্ত্র বাহিনী থাকবে?

পাহাড় অঞ্চল সম্পূর্ণ সন্ত্রাসী মুক্ত করা হোক এবং দেশের নাগরিক অধিকার ব্যতীত সকল শান্তি চুক্তি বাতিল করে, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হোক।লেখকঃশেখ মামুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page