বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চান্দিনায় মানবিক উদ্যোগের দৃষ্টান্ত: অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালো যুব কমিউনিটি  “পরকীয়া প্রেমে বড় হাফসা’র সহযোগিতায় পবিত্র ঈদের দিন সকালে স্বামীর ঘর থেকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছে নরসিংদীর মেয়ে খাদিজা” ঈদ মোবারক,, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের জানাচ্ছি,পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, ঈদ মোবারক !! ফরিদপুর শ্রমিক দলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। চাটখিলে কিশোর অটোচালক হত্যা: র‍্যাবের জালে ৩ ঘাতক ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক মিলনায়তন ও প্রধান শিক্ষকের কক্ষ উদ্বোধন কারাগার” আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নারী কর্মীদের জন্য যেন মরণ ফাঁদ। শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে কালিয়ায় বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রিকশাচালক বাবার দুই ‘রাজকন্যা’র স্বপ্নপূরণ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বুশরা ও তৃষা ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে জমি নিয়ে প্রতারণা ভাগ্নের সাথে মামার।

জামিন পেলেন সাবেক এসপি বাবুল আক্তার

জামিন পেলেন সাবেক এসপি বাবুল আক্তার

স ম জিয়াউর রহমান,চট্টগ্রাম জেলা স্টাফ রিপোর্টার:
স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ ২৭ নভেম্বর বুধবার বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত ১৪ আগস্ট চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো.জসিম উদ্দিনের আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন বাবুল আক্তার। পরে ১৮ আগস্ট চট্টগ্রাম‌ তৃতীয় অতি‌রিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো.জসিম উদ্দিন জামিন নামঞ্জুর করেন। ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রীকে খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তবে ওই মামলায় স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে স্বামী বাবুল আক্তারেরই সম্পৃক্ততা দেখায় পিবিআই। এরপর ২০২১ সালের ১২ মে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় দ্বিতীয় মামলাটি করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন। ওইদিনই মামলাটিতে বাবুল আক্তার কে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে রয়েছেন বাবুল। এদিকে ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা পিবিআই সাতজনকে আসামি করে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে। ওই বছরের ১০ অক্টোবর আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। চলতি বছরের ১৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ৯ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের সাক্ষ্য দেন। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি করা হয়েছে মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারকে। অভিযোগপত্রে আরও যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন:মো.কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা,এহতেশামুল হক প্রকাশ,হানিফুল হক প্রকাশ ভোলাইয়া,মো.মোতালেব মিয়া ওয়াসিম,মো.আনোয়ার হোসেন,মো.খাইরুল ইসলাম কালু এবং শাহজাহান মিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page